শিরোনাম

মহান বিজয় দিবসে

বিজয়নগরের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হিন্দিগানে নৃত্য ॥ সমালোচনার ঝড়

বিজয়নগর প্রতিনিধি | শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 215 বার

বিজয়নগরের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হিন্দিগানে নৃত্য ॥ সমালোচনার ঝড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মহান বিজয় দিবসে উপজেলার দুটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা হিন্দিগান বাজিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেছে।
বিজয় দিবসের দিনে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন না করে কেন হিন্দি গান বাজিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে নৃত্য পরিবেশন করেছে এই প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা বলেছেন, তারা না জেনে ভুল করেছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবেনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহান বিজয় দিবসের দিনে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের আউলিয়া বাজার এলাকার ফোকাস আইডিয়াল একাডেমী এবং এ.এম.পি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্কুলের মাঠে হিন্দি গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করে। তাদের নৃত্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

এ.এম.পি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলামের ফেসবুক পেইজে প্রায় ৩ মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককে সাথে নিয়ে হিন্দিগানের তালে তালে শিক্ষার্থীরা নৃত্য পরিবেশন করছেন। এছাড়া একই আইডিতে ২ মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায় ফোকাস আইডিয়াল একাডেমীর শিক্ষার্থীরাও হিন্দিগানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করেছেন।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম মাহবুব হোসেন বলেন, এ ঘটনা আমার জানা নেই। বিজয় দিবসের দিনে হিন্দি গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করে থাকলে তা গর্হিত অন্যায়। এ ঘটনার বিচার হওয়া উচিত।

এ ব্যাপারে জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত বলেন, বিজয় দিবসের দিনে হিন্দিগানে নাচের প্রশ্নই আসেনা। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে ফোকাস আইডিয়াল একাডেমির প্রধান শিক্ষক সেলিম মৃধা বলেন, বিজয় দিবসের দিনে হিন্দি গানের তালে তালে শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশন ভুল হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমি অনুতপ্ত। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর ঘটবেনা।

এ.এম.পি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গানেই নৃত্য করছিলে। হঠাৎ তারা হিন্দিগান ছেড়ে নৃত্য করে। তিনি বলেন, না জেনে এটা তাদের ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবেনা।

এ ব্যাপারে পাহাড়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ খন্দকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ আমাকে অবহিত করেনি। আমি খোঁজ নিব।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.এইচ.এম ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবো।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১